৫ খাবার নিয়মিত খাবেন

[X]

পেট ও হৃদ্‌যন্ত্রের সুরক্ষায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি একধরনের যৌগ, যা প্রাকৃতিকভাবে কিছু ফল ও সবজিতে থাকে। টমেটোর লাইকোপেন, গাজরের বিটা ক্যারোটিন, চকলেটে ফ্ল্যাভানোলসের নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই। এগুলো বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

অক্সিডেন্ট শরীরের কোষে যে ক্ষতি করে, তা ঠেকায় এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অক্সিডেন্ট হচ্ছে শরীরে তৈরি হওয়া ( ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মানুষ জয়ী হবে ) মুক্ত কণা, যা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ঠেকাতে তৈরি হয়। এগুলোর সংখ্যা বেড়ে গেলে তা কোষের ক্ষতি করে। হৃদ্‌রোগ ও ক্যানসারের মতো সমস্যা তৈরি হয়। দূষণ, ধূমপান ও মদ্যপানে (সমস্যা সমাধানের জন্য জানুন পুরুষেরা ) অক্সিডেন্ট বাড়ে। তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মধ্য ভারসাম্য রাখা জরুরি। শরীরে[ ভালোবাসা ও যৌনতা নিয়ে আজব তথ্যগুলির কৌতুহল ] তৈরি হওয়া অক্সিডেন্টগুলো দ্রুত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টকে ছাড়িয়ে যায়। এ ভারসাম্য রাখতে শরীরে নিয়মিত ( এক মাসের মধ্যে গালের মেদ ঝরিয়ে হয়ে উঠুন আরও আকর্ষণীয়! ) অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ জরুরি। বাইরে থেকে আসা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মান ভালো থাকা দরকার। ভালো মানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত খাবার খেলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে ও পেট ভালো থাকে। এতে জীবনের দৈর্ঘ্য বাড়ে।

ভালো মানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত পাঁচ খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:

 

. টমেটো :
রসালো টমেটোর মধ্য থাকে তিন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। লাইকোপেন, ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ। ফল ও সবজি থাকা আসা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ভিটামিন সি। রান্না করা টমেটোর লাইকোপেন শরীরে শোষিত হয় বেশি।

 

. ব্রকলি : 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্যানসার প্রতিরোধী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ( ক্যানসারের এই অচেনা লক্ষণগুলিই মহিলারা এড়িয়ে যান! ) কার
ণে আলোচিত ব্রকলি। এতে রয়েছে ক্যারোটিনয়েডস লুটেন, জিয়াক্সথিন ও বিটা ক্যারোটিন। এটি সেদ্ধ করে খেলে বেশি উপকার।

 

. বার্লি: 

বহু বছরের পুরোনো এই শস্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণে আবার আলোচনায়। এতে যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা শরীরে শক্ তি জোগায়। বার্লি যখন ভেজানোর [ চুলে তেল লাগানোর সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন! ] পর অঙ্কুরোদ্‌গম হয়, তখন এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়ে।

 

 

. কিশমিশ:যদি ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চান, তবে এক মুঠ কি শমিশ খান। কালো কি শমিশে অ্যান্থোসায়ানিনস নামে যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকে, তা শরীরে [ সুস্থ থাকতে জানতে হবে ] শক্তি জোগায়। সকালে নাশতা হিসেবে ওটের সঙ্গে মিশিয়ে কিংবা সালাদে বা জুসে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারেন। আঙুরের চেয়ে তিন গুণ বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিশমিশে।

 

 

. কিডনি শিম : সাদা, লাল কিংবা কিডনি শিমে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভরপুর। এতে মাংসপেশি গঠন উপযোগী প্রোটিন থাকে, কিন্তু কোনো কোলস্টেরল থাকে না। সালাদ, স্যান্ডউইচে এটি খাওয়া যায়। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *